🔎 Introduction
বাংলাদেশে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ভেঙে গেলে বা স্বামী ভরণপোষণ না দিলে স্ত্রী আইন অনুযায়ী খোরপোষ দাবি করতে পারেন। অনেকেই জানেন না—কোথায় যেতে হবে, কীভাবে মামলা করতে হবে।
এই পোস্টে সহজভাবে পুরো প্রক্রিয়া দেখানো হলো।
⚖️ খোরপোষ (Maintenance) কি?
খোরপোষ হলো স্বামীর পক্ষ থেকে স্ত্রীর জন্য:
- খাবার
- বাসস্থান
- চিকিৎসা
- প্রয়োজনীয় খরচ
👉 মুসলিম আইনে এটি স্ত্রীর অধিকার।
👩 কে খোরপোষ দাবি করতে পারবেন?
- বৈধ স্ত্রী
- তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী (Iddat period পর্যন্ত)
- সন্তান (বাবার কাছ থেকে)
📜 খোরপোষ দাবি করার আইনি উপায়
১. পারিবারিক আদালতে মামলা (Family Court)
এটাই সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি।
👉 আপনি “Maintenance Suit” করতে পারেন।
📝 মামলা করার ধাপ
Step 1: আইনজীবীর সাথে যোগাযোগ
একজন আইনজীবীর মাধ্যমে মামলা প্রস্তুত করুন।
Step 2: মামলা দায়ের
স্থানীয় পারিবারিক আদালতে মামলা ফাইল করতে হবে।
Step 3: প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট
- নিকাহনামা (বিয়ের কাবিননামা)
- স্বামীর আয় সম্পর্কিত তথ্য (যদি থাকে)
- ঠিকানা
Step 4: কোর্টে শুনানি
আদালত উভয় পক্ষের কথা শুনবে।
Step 5: আদালতের আদেশ
আদালত মাসিক খোরপোষ নির্ধারণ করবে।
💰 খোরপোষ কত নির্ধারণ হয়?
এটি নির্ভর করে:
- স্বামীর আয়
- স্ত্রীর প্রয়োজন
- সামাজিক অবস্থা
👉 নির্দিষ্ট ফিক্সড রেট নেই।
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
- স্বামী খোরপোষ না দিলে আদালতের মাধ্যমে আদায় করা যায়
- মামলা চলাকালীনও অস্থায়ী খোরপোষ (Interim Maintenance) পাওয়া যায়
- স্ত্রী অন্যত্র বিবাহ করলে সাধারণত খোরপোষ বন্ধ হয়
❓ FAQ
❓ প্রশ্ন: তালাকের পর খোরপোষ পাবো?
👉 হ্যাঁ, তবে সাধারণত Iddat period পর্যন্ত।
❓ প্রশ্ন: স্বামী টাকা না দিলে কি করবেন?
👉 আদালতের মাধ্যমে জোরপূর্বক আদায় করা যাবে।
❓ প্রশ্ন: সন্তানের খোরপোষ কে দেবে?
👉 বাবা সন্তানের খোরপোষ দিতে বাধ্য।
📌 Conclusion
খোরপোষ স্ত্রীর একটি মৌলিক অধিকার। সঠিক আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে সহজেই এটি আদায় করা সম্ভব।
স্ত্রীর ভরণপোষণ আইনে অধিকার – বাংলাদেশে সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা (২০২৬)
No comments:
Post a Comment