Friday, April 17, 2026

তালাক নোটিশ পাঠানোর সঠিক প্রক্রিয়া – বাংলাদেশে সম্পূর্ণ গাইড (২০২৬)

বাংলাদেশে তালাক দিতে হলে শুধু মুখে বললেই হয় না। আইনের দৃষ্টিতে তালাক কার্যকর করতে হলে অবশ্যই লিখিত নোটিশ পাঠাতে হবে।

📜 তালাক নোটিশ কি?

তালাক নোটিশ হলো একটি লিখিত ডকুমেন্ট, যেখানে স্বামী তালাকের ঘোষণা দেন এবং তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান।


⚖️ কাকে নোটিশ পাঠাতে হয়?

১. স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ/ওয়ার্ড কাউন্সিলর
২. স্ত্রী (অবশ্যই কপি দিতে হবে)


📝 তালাক নোটিশ লেখার নিয়ম

প্রয়োজনীয় তথ্য:

  • স্বামী-স্ত্রীর নাম ও ঠিকানা
  • বিবাহের তারিখ
  • তালাক ঘোষণার তারিখ
  • স্পষ্টভাবে “তালাক” উল্লেখ

📬 পাঠানোর সঠিক পদ্ধতি

Step 1: লিখিত নোটিশ তৈরি

একটি পরিষ্কার ও নির্ভুল ডকুমেন্ট বানান

Step 2: রেজিস্ট্রি ডাক/কুরিয়ার

নোটিশ রেজিস্ট্রি করে পাঠানো সবচেয়ে নিরাপদ

Step 3: চেয়ারম্যান অফিসে জমা

একই নোটিশ স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিতে হবে


⏳ এরপর কি হয়?

  • চেয়ারম্যান সালিশ ডাকবেন
  • ৯০ দিনের সময় শুরু হবে
  • পুনর্মিলন না হলে তালাক কার্যকর হবে

⚠️ ভুল করলে কি সমস্যা?

  • নোটিশ না দিলে তালাক অবৈধ হতে পারে
  • জরিমানা বা আইনি জটিলতা হতে পারে

❓ FAQ

❓ প্রশ্ন: WhatsApp/SMS এ তালাক দিলে হবে?

👉 না, এটি আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।

❓ প্রশ্ন: স্ত্রী নোটিশ না পেলে কি হবে?

👉 প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ থাকবে।

Wednesday, April 8, 2026

তালাক দেওয়ার সঠিক নিয়ম

বাংলাদেশে মুসলিম পারিবারিক আইন (১৯৬১) অনুযায়ী তালাক দেওয়ার সঠিক নিয়ম হলো লিখিত নোটিশ প্রদান স্বামী বা স্ত্রী যে কেউ লিখিতভাবে অন্যপক্ষকে তালাক দিতে পারেন । তালাকের সিদ্ধান্ত জানানোর পর স্থানীয় চেয়ারম্যান/মেয়রকে নোটিশ দিতে হয়। নোটিশ প্রাপ্তির ৯০ দিন পর তালাক কার্যকর হয়। মৌখিক বা একবারে তিন তালাক দেওয়া আইনত অবৈধ ও দণ্ডনীয় 

তালাক দেওয়ার সঠিক আইনগত পদ্ধতি (২০২৫ আপডেট):

লিখিত তালাকনামা: তালাক অবশ্যই লিখিত হতে হবে

নোটিশ পাঠানো: স্বামীকে বা স্ত্রীকে তালাকের নোটিশ ডাকযোগে বা সরাসরি পাঠাতে হবে

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিতকরণ: একই নোটিশের একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের কাছে পাঠাতে হবে

ইদ্দত ও কার্যকর সময়: নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৯০ দিন (৩ মাস) পর তালাক কার্যকর হয়

সমঝোতা বৈঠক (আর্বিটেশন কাউন্সিল): নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সমঝোতার জন্য আর্বিটেশন কাউন্সিল বা সালিশি পরিষদ গঠন করবেন

বকেয়া পাওনা: তালাক কার্যকর হওয়ার আগে স্বামী স্ত্রীর দেনমোহর ও ইদ্দতকালীন ভরণপোষণ পরিশোধ করতে বাধ্য থাকেন 

বিশেষ সতর্কবার্তা:

মৌখিক তালাক: মুখে "তালাক, তালাক, তালাক" বলা আইনত অবৈধ। এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ

কাবিননামা: তালাকের সময় কাবিননামার ১৮ ও ১৯ নং কলামে প্রদত্ত ক্ষমতা ব্যবহার করা হয়

রেজিস্ট্রেশন: ভালো কাজি অফিস বা আইনজীবীর মাধ্যমে তালাক নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রি করা নিরাপদ 

দ্রষ্টব্য: আইনগত জটিলতা এড়াতে আইনজীবী বা বিবাহ রেজিস্টারের (কাজি) পরামর্শ নেওয়া উচিত



তালাক প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

তালাক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রের প্রয়োজন হয়। প্রথমত, বিবাহ নিবন্ধন সনদ (Nikahnama) প্রয়োজন, যা বিবাহের বৈধতা প্রমাণ করে। এরপর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) লাগে উভয় পক্ষের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য

তালাকের জন্য একটি লিখিত তালাক ঘোষণা পত্র তৈরি করতে হয়, যেখানে বিবাহের তথ্য ও তালাকের কারণ উল্লেখ থাকে। চেয়ারম্যান বরাবর পাঠানো তালাক নোটিশের রশিদ সংরক্ষণ করতে হয়, কারণ এটি আইনগত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া প্রয়োজনে সাক্ষীদের নাম ও তথ্য সালিশি পরিষদের শুনানিতে উপস্থাপন করা যেতে পারে

অবৈধ তালাকের উদাহরণ

বাংলাদেশে তালাক প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আইনগত ধাপ অনুসরণ না করলে সেটি অবৈধ ও অকার্যকর (Invalid Divorce) হিসেবে গণ্য হয়। যেমন— শুধুমাত্র মৌখিকভাবে “তালাক” বলা আইনত বৈধ নয়। একইভাবে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবর নোটিশ না পাঠালে, বা ৯০ দিনের অপেক্ষাকাল শেষ হওয়ার আগে নতুন বিয়ে করলে, সেটিও অবৈধ তালাক হিসেবে ধরা হয়

অর্থাৎ, তালাককে কার্যকর করতে হলে অবশ্যই লিখিত ঘোষণা, চেয়ারম্যানকে নোটিশ প্রেরণ, সালিশি পরিষদের গঠন এবং ৯০ দিনের অপেক্ষাকাল— এই সব ধাপ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক

স্ত্রী কি তালাক দিতে পারে?

হ্যাঁ । মুসলিম নারী তালাক-তাফওয়িজ (Delegated Divorce) অধিকার থাকলে নিজে তালাক দিতে পারেন
এছাড়া Family Court এর মাধ্যমে খুলা (Khula) তালাকের আবেদন করেও বিবাহ বিচ্ছেদ করা যায়, যদি স্বামী তালাক দিতে অস্বীকৃতি জানান

তালাকের পর স্ত্রী খোরপোষ পাবে কি?

হ্যাঁ। স্ত্রী ইদ্দত সময়ের মধ্যে খোরপোষ (Maintenance) পাওয়ার অধিকার রাখে
তাছাড়া, দেনমোহর, যৌতুক, সন্তান লালন-পালনের খরচ ইত্যাদিও আদালতের মাধ্যমে আদায় করা সম্ভব, Family Court Ordinance, 1985 অনুযায়ী

তালাকের পর সন্তান কার কাছে থাকবে?

সন্তানের হেফাজত নির্ধারণ হয় Guardian and Wards Act, 1890 অনুযায়ী
সাধারণত ছোট শিশু ও কন্যা সন্তান মায়ের কাছে থাকে, তবে আদালত সন্তানের কল্যাণ (Welfare) বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন

তালাকের সময় দেনমোহর কিভাবে আদায় করা যায়?

তালাকের সময় স্ত্রী তার দেনমোহর ও অন্যান্য পাওনা Family Court-এ মামলা করে আদায় করতে পারেন
আইন অনুযায়ী স্বামী তালাকের সময় স্ত্রীকে দেনমোহর পরিশোধ করতে বাধ্য

 

 


Sunday, January 25, 2026

প্রথম স্ত্রীর অনুমতি না নিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে ও তার ভরণপোষণ না দেওয়া একটি ফৌজদারি অপরাধ

প্রথম স্ত্রীর অনুমতি না নিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে ও তার ভরণপোষণ না দেওয়া একটি ফৌজদারি অপরাধ।

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১-এর ৬ ধারামতে, দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে সালিশি পরিষদের কাছে অনুমতি না নিলে বিয়ে নিবন্ধন হবে না। আর তাই প্রথম স্ত্রীর অনুমতি না নিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে অবৈধ বলে গণ্য হবে।

এ অবস্থায় প্রতিকার পেতে আপনি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দণ্ডবিধি আইন-১৮৬০-এর ৪৯৪-এর বিধানমতে মামলা করতে পারেন। এ সময় স্বামী দ্বিতীয় বিয়ের কাবিননামা আদালতে দেখাতে হবে। আপনার স্বামীর অপরাধ প্রমাণিত হলে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

এ ছাড়া সন্তান থাকলে আপনি তার ভরণপোষণ পাবেন। এ ক্ষেত্রে পারিবারিক আদালতে ভরণপোষণ চেয়ে মামলা করতে পারেন।

স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে সম্পর্কে আইনে আসলে কী আছে সে সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণা নেই। আজ সে বিষয়েই আলোচনা করা হবে।

বর্তমান স্ত্রী জীবিত থাকতে আরেকটি বা একাধিক বিয়ে করাকে বহুবিবাহ বলা হয়। আইন অনুযায়ী এক স্ত্রী জীবিত অবস্থায় আরেকটি বিয়ে করা যাবে না। তবে কোনো ব্যক্তির যদি এক স্ত্রী বর্তমান থাকাকালে আরেকটি বিয়ে করার প্রয়োজন পড়ে (যেমন- সন্তান না হওয়া বা অসুস্থতা ইত্যাদি), তাহলে তাকে বর্তমান স্ত্রী বা স্ত্রীদের মধ্যের শেষ স্ত্রীর এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে আরেকটি বিয়ে করার অনুমতি চেয়ে আগে আবেদন করতে হবে।

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ ধারার ৬ মতে, দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে সালিশি পরিষদের কাছ হতে অনুমতি না নিলে বিয়ে নিবন্ধন হবে না। অনুমতির জন্য ফি দিয়ে চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করতে হবে ও আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিয়ের অনুমতি প্রদানে যেসব বিষয়ের প্রতি বিবেচনা করা হবে তার মধ্যে অন্যতম হলো:

(১) বর্তমান স্ত্রীর বন্ধ্যাত্ব
(২) শারীরিক মারাত্মক দুর্বলতা
(৩) দাম্পত্য জীবন সম্পর্কিত শারীরিক অযোগ্যতা
(৪) দাম্পত্য অধিকার পুনর্বহালের জন্য আদালত হতে প্রদত্ত কোনো আদেশ বা ডিক্রি বর্জন
(৫) মানসিকভাবে অসুস্থতা ইত্যাদি।

স্ত্রীর অধিকার লঙ্ঘনে আইনি প্রতিকার কী:

কোনো পুরুষ যদি সালিশি পরিষদের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করেন, তবে তিনি অবিলম্বে বর্তমান স্ত্রী অথবা স্ত্রীদের আংশ বা বিলম্বিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করবেন।

এক্ষেত্রে বর্তমান স্ত্রী বা স্ত্রীরা আদালতে মামলা করে বিয়ে বিচ্ছেদ করতে পারেন।
দ্বিতীয় বিয়ে করার কারণে আবার প্রথম স্ত্রী আলাদা বসবাস করেও ভরণ-পোষণ পাবেন।
প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বসবাসরত নাবালক সন্তানদের ভরণ-পোষণ দিতে পিতা আইনত বাধ্য থাকবেন।

ভরণ-পোষণের সঙ্গে সঙ্গে স্ত্রী ও সন্তানরা উত্তরাধিকারীর অধিকার লাভ করবেন।

মোহরানার টাকা পরিশোধ করা না হলে বকেয়া ভূমি রাজস্ব আদায়ের মতো আদায় করার বিধান রয়েছে। এছাড়াও অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে এক বছর পর্যন্ত জেল এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ড হবে।

অপরদিকে দণ্ডবিধি আইন ১৮৬০-এর ৪৯৪ বিধান মতে,
স্বামী-স্ত্রী থাকাকালীন পুনরায় বিয়ে করলে সে ব্যক্তি যেকোনো বর্ণনার কারাদণ্ড যার মেয়াদ ৭ বছর পর্যন্ত হতে পারে তদুপরি অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন।

তবে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা উচিত,
বহু বিয়ের মামলায় বাদিকে সফল হতে হলে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে,
দ্বিতীয় বিয়ের সময় প্রথম বৈধ বিয়ের অস্তিত্ব ছিল।

বহু বিয়ের আইনগত দিক কী:

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ অনুযায়ী পূর্বে সালিশি পরিষদের কাছ থেকে লিখিত অনুমতি না নিয়ে কোনো পুরুষ একটি বিয়ে বলবৎ থাকাকালে আর একটি বিয়ে করতে পারবেন না।

পূর্বানুমতি গ্রহণ না করে এই জাতীয় কোনো বিয়ে হলে তা মুসলিম বিয়ে এবং তালাক (রেজিস্ট্রেশন) আইন ১৯৭৪ সালের ৫২নং আইন মতে রেজিস্ট্রি হবে না।

বিয়ের অনুমতির জন্য নির্দিষ্ট ফি জমা দিয়ে নির্ধারিত পদ্ধতিতে চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্রে প্রস্তাবিত বিয়ের কারণ ও বর্তমান স্ত্রী বা স্ত্রীদের সম্মতি নেওয়া হয়েছে কি না তা উল্লেখ করতে হবে।


Monday, November 24, 2025

স্বামীকে তালাক দিতে হলে...

স্বামীকে তালাক দিতে হলে স্ত্রীর কিছু আইনগত এবং শরীয়ত-ভিত্তিক নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ পদ্ধতি হলো খুলা তালাক, যেখানে স্ত্রী কিছু ক্ষতিপূরণ দিয়ে স্বামীর থেকে বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষমতা লাভ করেন। এছাড়া, স্ত্রী কিছু শর্ত সাপেক্ষে বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষমতা লাভ করতে পারেন, যা বিবাহের চুক্তিতে উল্লেখ থাকে। অন্যথায়, স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য মামলা করতে পারেন। 

তালাক দেওয়ার পদ্ধতি

  • খুলা তালাক: স্ত্রী কিছু ক্ষতিপূরণ দিয়ে (সাধারণত দেনমোহর ফেরত দিয়ে) স্বামীর কাছ থেকে তালাকের অনুমতি চাইতে পারেন।
  • বিবাহের চুক্তিতে শর্ত: বিবাহের সময় যদি চুক্তিপত্রে স্ত্রী তালাকের ক্ষমতা বা বিচ্ছেদের অধিকার প্রাপ্ত হন, তবে সেই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী তালাক দিতে পারেন।
  • আদালতের মাধ্যমে: স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য মামলা দায়ের করতে পারেন। এর জন্য নির্দিষ্ট কিছু কারণ থাকতে হবে, যেমন: স্বামীর নির্যাতন, বা অন্যান্য কারণ।
  • অন্যান্য বিকল্প: স্ত্রী যদি বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আবেদন করেন, তাহলে তা কার্যকর হতে ৯০ দিন সময় লাগে। 

প্রয়োজনীয় নিয়মাবলী

  • আইনি পরামর্শ: আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তালাক কার্যকর করার জন্য একজন আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।
  • তালাকনামা: তালাক কার্যকর করতে হলে, স্বামী কর্তৃক স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের কাছে তালাকনামা দাখিল করতে হয়।
  • দেনমোহর ভরণপোষণ: বিবাহ বিচ্ছেদের পর স্ত্রী তার দেনমোহর এবং অন্য কোনো প্রকার আর্থিক সুবিধা (যেমন, ভরণপোষণ) দাবি করতে পারেন

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

  • তালাক কার্যকর: তালাক কার্যকর হওয়ার জন্য আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
  • তালাকের নোটিশ: তালাক কার্যকর হওয়ার জন্য স্বামী কর্তৃক তালাকের নোটিশ পাঠানো এবং তা গ্রহণ করা জরুরি।
  • তালাকের আইনি প্রক্রিয়া: তালাকের প্রতিটি ধাপ সঠিকভাবে অতিক্রম করলে বিবাহ বিচ্ছেদ সম্পন্ন হবে। 

 

 

 

 


Tuesday, August 5, 2025

🫀 হার্টের রিং (স্টেন্ট) বসানোর নির্ধারিত মূল্য – প্রতারণা থেকে সাবধান!

 

🫀 হার্টের রিং (স্টেন্ট) বসানোর নির্ধারিত মূল্য – প্রতারণা থেকে সাবধান! আপনার, আমার, আমাদের সবার জন্য সুখবর! বাংলাদেশ সরকার এখন থেকে হার্টের রিং (স্টেন্ট) বসানোর জন্য সরকারি মূল্য নির্ধারণ করেছে, যেন কোনো হাসপাতাল বা ব্যক্তি অতিরিক্ত টাকা দাবি করে সাধারণ রোগীদের প্রতারিত করতে না পারে। 📌 উদাহরণস্বরূপ: ✓Resolute Onyx (Medtronic) – সর্বোচ্চ দাম: ৯০,০০০ টাকা ✓Promus Elite (Boston) – সর্বোচ্চ দাম: ৭২,০০০ টাকা ✓Xience Prime (Abbott) – সর্বোচ্চ দাম: ৫০,০০০ টাকা ✓Onyx Trucor (Medtronic) – সর্বোচ্চ দাম: ৫০,০০০ টা

কা
👉 সরকারি তালিকায় প্রতিটি স্টেন্টের নির্ধারিত দাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ⚠️ এখন থেকে কেউ যদি এর বেশি দাম দাবি করে – সেটা অবৈধ। ✅ কী করবেন? 1. হার্টের রিং লাগানোর আগে স্টেন্টের নাম ও কোম্পানির নাম জেনে নিন। 2. সরকারের নির্ধারিত দামের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন। 3. অতিরিক্ত দাম চাইলেই অভিযোগ করুন: 📞 স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হেল্পলাইন – ১৬২৬৩ ✉️ ইমেইল: drugad1@hsd.gov.bd ✊ চলুন, আমরা সবাই সচেতন হই — রোগী ও তার পরিবারের প্রতি দায়বদ্ধ হই।

ICMAB Previous Questions and Solutions Link

CMA 2026 Exam CMA 2025 Exam CMA 2024 Exam CMA 2023 Exam   CMA 2022 Exam